মেনু নির্বাচন করুন

মধুপুরের সামাজিক বনায়ন

অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে ১,০০০ হেঃ বনায়ন করা হবে যাতে ২৫,০০,০০০ বৈচিত্রপূর্ণ দেশীয় প্রজাতির চারা রোপন করা হবে।

  • —  ১ম বছরে ১৫০.০ হেঃ বৃক্ষায়ন বা ৩,৭৫,০০০টি চারা রোপন করা হয়েছে।
  • —  ২য় বছরে ৬০০.০ হেঃ বনায়ন বা ১৫,০০,০০০ টি চারা রোপণ করা হয়েছে।
  • —  ১ম বছরে ১০.০ হেঃ পশু খাদ্যের উপযোগী চারা রোপন করা হয়েছে।
  • —  ৩য় বছরে আরও ২৫০.০ হেঃ বনায়ন বা ৬,২৫,০০০টি চারা রোপন করা হবে।
  • —  ৩য় বছরে আরো ১০.০ হেঃ বা ১৬,০০০টি  পশু খাদ্যের উপযোগী চারা রোপন করা হবে।

      মধুপুর বনাঞ্চলের জবরদখলকৃত এবং বৃক্ষশুন্য বনভূমিতে স্থানীয় জনগনকে সম্পৃক্ত করে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ১০০০ হেক্টর বৃক্ষায়নের কর্মসূচী রয়েছে। ইতোমধ্যে মধুপুর রেঞ্জাধীন মহিষমারা ও চারালজানি বিট, জাতীয় উদ্যান রেঞ্জ অধীন বেরীবাইদ, রাজাবাড়ি, গাছাবাড়ি, লহরিয়া ও সদর বিট এবং দোখলা রেঞ্জাধীন সদর ও চানপুর বিট এলাকাভূক্ত বৃক্ষশুন্য বনভূমিতে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রজাতি ( শাল, গর্জন, গামার, জাম, ঢাকিজাম, চিকরাশি, মেহগিনি, অর্জুন, জারুল, কদম প্রভৃতি ) দ্বারা বৃক্ষায়ন করা হয়েছে। 

—  উপরোক্ত কার্যক্রমের ফলে মধুপুর বনে এবং বনের আশেপাশে ৩৬,৬২,০০০টি বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপিত হবে। এতে করে মধুপুরের জীব বৈচিত্র রক্ষা পাবে, প্রাণীকূল ফিরে পাবে তার কাঙ্খিত বাসস্থান।      র্

বন নির্ভর জনগোষ্ঠির পুনর্বাসন

  • —  মধুপুর বনভূমিতে এবং এর আশে পাশে অর্ধশতাধিক গ্রাম গড়ে উঠেছে।
  • —  সে সকল গ্রামে বসবাসরত পরিবারদের বাড়ীর আঙ্গিনায় কোন গাছ পালা  নেই।
  • —  প্রতিটি বাড়ীর আঙ্গিনায় বৈচিত্র সম্পন্ন বনজ,ফলজ ও জ্বালানী কাঠের চারা রোপন করা  হবে।

—  বনের উপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের বিকল্প আয়ের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষে বিভিন্ন উৎপাদনমুখী কার্যক্রম  বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।র্

পুনর্বাসিতব্য পরিবার নির্বাচন প্রক্রিয়া   

  •  মধুপুর বন ভূমিতে বসবাসরত এবং বনের উপর নির্ভরশীল ৫,০০০ পরিবারকে জীবনমান উন্নয়নকল্পে প্রকল্প মেয়াদকালীন সময়ে পুনর্বাসিত করা হবে।
  • পুর্নবাসিতব্য পরিবারকে মধুপুর বন এলাকায় বসবাসকারী হতে হবে। পুর্নবাসিতব্য পরিবারকে অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন সনদপত্র, ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিক সনদপত্র দাখিল করতে হবে।
  • পুর্নবাসিতব্য পরিবারকে নির্ধারিত ফরমে আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে।
  • পুর্নবাসিতব্য পরিবার নির্বাচনের জন্য রেঞ্জ ভিত্তিক একটি কমিটি থাকবে, উক্ত কমিটি পুর্নবাসিতব্য পরিবারের প্রাথমিক তালিকা প্রণয়ন করবে।

Share with :
Facebook Twitter