মেনু নির্বাচন করুন
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন
জাতির জনক, স্বাধীনতার স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালিবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজন্ম লালিত স্বপ্ন দারিদ্র্যবিমোচন এবং সোনার বাংলা গড়া। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের এই মহান জাতীয় দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে তারই সুযোগ্য কন্যা বর্তমানপ্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৯ সালের ০৭ নভেম্বর মহান জাতীয় সংসদে ২৩ নং আইনের মাধ্যমে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসাবে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) প্রতিষ্ঠা করেন। এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক বিগত ০৯জুলাই ২০০০ সালে শুভ উদ্বোধন ঘোষণাকরা হয়। দারিদ্র্য বিমোচন সারা বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও সর্বাধিক অগ্রাধিকার প্রাপ্ত একটি কার্যক্রম। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন গ্রামের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন , নারী পুরুষের সমতা বিকাশ সাধন এবং নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করেযাচ্ছে। আর্থ-সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করা , সঞ্চয় জমাকরণের মাধ্যমে পুuঁজ গঠন, সদস্যদেরকে আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ডে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান করা ও ঋণ প্রদানের মাধ্যমেসদস্যদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা এবং নেতৃত্ব বিকাশে সহায়তাপ্রদানের পাশাপাশি স্বাস্থ্য, শিক্ষা,নারী অধিকার ,সামাজিক মূল্যবোধ প্রভৃতি বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা পিডিবিএফ এর মূল লক্ষ্য। উল্লেখিত কার্যক্রমের মাধ্যমে পল্লীর সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের জন্য পিডিবিএফ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং অভাবনীয় উন্নয়ন সাধনে সক্ষম হচ্ছে।
  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

এক নজরে পিডিবিএফ সিটিজেনচাটার ১ । দরিদ্র ও অসুবিধাগ্রস্থ জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করার মাধ্যমে সমিতি গঠন করা । ২ । সঞ্চয়ের মাধ্যমে পুজিঁ গঠণের অভ্যাস গড়ে তোলা । ৩ । আয় বৃদ্ধিমূলক কাজে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ ৪ । ঋণের টাকার সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে অথনৈতিক উন্নয়ন সাধন করা । ৫ । ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে স্মল এন্টাপ্রাইজ ঋণ কাযক্রম বাস্তবায়ন । ৬ । শিক্ষা স্বাস্থ্য নাগরিক অধিকার নারীর অধিকার ও আইন সম্পকে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সুফলভোগীদের নেতৃত্বের বিকাশ করে সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন করা । ৭ । বিভিন্ন আয়বৃদ্ধিমূলক কাজে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান করা । ৮ । নারী-পুরুষের সমতা বিধান করা । ৯ । সদস্যদের মানবিক উন্নয়ন ও সামাজিক সচেতনতা তৈরী করা। পিডিবিএফ মধুপুরের বিভিন্ন কার্যক্রম: ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম: ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মধুপুরে পিডিবিএফ গ্রামীণ দরিদ্র্য ও অসুবিধাগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে আর্থিকভাবে স্বয়ম্ভর ,উৎপাদনমুখী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ , কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য এপর্যন্ত মোট ক্রমপুঞ্জিত ১২.৫২কোটি টাকা বিতরণ করতে সক্ষম হয়েছে। মধুপুরে পিডিবিএফ বর্তমানে ০৯টি ইউনিয়নে ৩৫টি গ্রামে ৩.০০হাজার সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করে স্বল্প সুদে ও সহজ শর্তে ঋণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।এ কার্যক্রমের ফলে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ডযেমন- গাভী পালন, মৎস্য চাষ , শাক-সবজি চাষ, নার্সারী, মুরগী পালন ইত্যাদির মাধ্যমে বিভিন্ন আত্নকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে এবং তাদের পরিবারের সদস্যদেরসহ প্রায় ১৬.৫হাজার জনগোষ্ঠীর সরাসরি আর্থিক সচ্ছলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।বিগত ২০১০-২০১১ আর্থিক বছরে প্রায় ১.৮৭কোটি টাকা ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ করা হয়েছে। বর্তমান অর্থ বছরে (২০১১-২০১২) প্রায় ২.০০ কোটি টাকা ক্ষুদ্রঋণ বিতরনের পরিকল্পনা রয়েছে। সঞ্চয় কার্যক্রম: পিডিবিএফ মধুপুর কার্যালয়ের সুফলভোগীরা ঋণ কার্যক্রমের পাশাপাশি সঞ্চয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয় ব্যাংকে জমা করা সম্ভব নয়। তাই মধুপুরের দক্ষ কর্মীগণদল গঠনের মাধ্যমে এইসব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয় সমিতির সাপ্তাহিক সভায় সংগ্রহ করে সুফলভোগীদের পুঁজি গঠনে সহায়তা করছে। পিডিবিএফ-এ সাধারণ সঞ্চয়, সোনালী সঞ্চয় এবং মেয়াদী সঞ্চয় নামে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন সঞ্চয় প্রকল্প চালু আছে। কার্যালয়ের মোট সুফলভোগীদের পুঁজির পরিমান ৬৭.০৫ লক্ষ টাকা। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ কার্যক্রম(SELP): দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তারা নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গঠন, ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য যে অর্থ প্রয়োজন তা সংগ্রহ করতে সামর্থ হন না। এই সব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের সহজ প্রক্রিয়ায় ঋণ সুবিধা প্রদান সহ অন্যান্য কারিগরী সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে অধিক আয় এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সরকারের পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন। মধুপুরে চলতি অর্থ বছরে প্রায় .৫০ কোটি টাকা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা কার্যক্রমে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। যাতে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ১২৫ টি পরিবারের। আগামী অর্থ বছরে আরো ব্যপকভাবে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকার্যক্রমেঋণ বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। সৌরশক্তি কার্যক্রম: মধুপুরের বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সুবিধাবঞ্চিত অনগ্রসর দারিদ্র্যপ্রবণএলাকায় বিদ্যুৎ সুবিধা পৌছানোর লক্ষ্যে পিডিবিএফ মধুপুর কার্যালয় হতে অতি সহজ শর্তে কিস্তিতে সৌর বিদ্যুৎগ্রাহকদের মাঝে সরবরাহ করা হয়; যা গ্রাহক পর্যায়ে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। সৌরবিদ্যুতের উজ্জ্বল আলোর কারণে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষেরা রাতে ও দিনে কাজ করে বাড়তি আয়ের সুযোগ পান। সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করে উৎপাদনমুখী কাজে কাজের সময়কে বর্ধিত করে পল্লীর অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব রাখছে। যেমন: পোল্ট্রি ফার্ম, মাছ চাষ,মাছ প্রক্রিয়াজাত, কাপড় বুনন, হস্তশিল্প এবং হাট-বাজারে ব্যবসা-বাণিজ্যের সময় বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। নিভৃত পল্লীতে জনসাধারণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সুযোগ সৃষ্টি করছে। ছাত্র-ছাত্রীরা সৌরবিদ্যুতের আলোয় অধিক সময় লেখাপড়া করতে পারছে। বিশেষ করে টেলিভিশনের মাধ্যমে সংবাদ,বিনোদন ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ পাচ্ছে। দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের ঘাটতি মোকাবেলায় অবদান রাখছে। এই কার্যক্রম পরিবেশ দুষণমুক্ত রাখে। আত্নকর্মসংস্থান , ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন উৎপাদনমুখী কার্যক্রমের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে ফলে দারিদ্র্য বিমোচনে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম: দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আত্নকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ঋণ প্রদানের পাশাপাশি মধুপুরে পিডিবিএফ এর আওতাভুক্ত ২৫০জন সদস্যকে বিভিন্ন সময়ে ৩৫০ জনদিবস দক্ষতাউন্নয়ন,নেতৃত্ব বিকাশও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

ছবি নাম মোবাইল
পংকজ পাল ০১৭১৫৪০৪৭৮৪

ছবি নাম মোবাইল

ছবি নাম মোবাইল

সৌরশক্তি কার্যক্রম: মধুপুরের বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সুবিধাবঞ্চিত অনগ্রসর দারিদ্র্যপ্রবণএলাকায় বিদ্যুৎ সুবিধা পৌছানোর লক্ষ্যে পিডিবিএফ নাগরপুর কার্যালয় হতে অতি সহজ শর্তে কিস্তিতে সৌর বিদ্যুৎগ্রাহকদের মাঝে সরবরাহ করা হয়; যা গ্রাহক পর্যায়ে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। সৌরবিদ্যুতের উজ্জ্বল আলোর কারণে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষেরা রাতে ও দিনে কাজ করে বাড়তি আয়ের সুযোগ পান। সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করে উৎপাদনমুখী কাজে কাজের সময়কে বর্ধিত করে পল্লীর অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব রাখছে। যেমন: পোল্ট্রি ফার্ম, মাছ চাষ,মাছ প্রক্রিয়াজাত, কাপড় বুনন, হস্তশিল্প এবং হাট-বাজারে ব্যবসা-বাণিজ্যের সময় বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। নিভৃত পল্লীতে জনসাধারণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সুযোগ সৃষ্টি করছে। ছাত্র-ছাত্রীরা সৌরবিদ্যুতের আলোয় অধিক সময় লেখাপড়া করতে পারছে। বিশেষ করে টেলিভিশনের মাধ্যমে সংবাদ,বিনোদন ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ পাচ্ছে। দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের ঘাটতি মোকাবেলায় অবদান রাখছে। এই কার্যক্রম পরিবেশ দুষণমুক্ত রাখে। আত্নকর্মসংস্থান , ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন উৎপাদনমুখী কার্যক্রমের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে ফলে দারিদ্র্য বিমোচনে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে।

০১৭১৫৪০৪৭৮৪


Share with :

Facebook Twitter